শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২৭ অপরাহ্ন
এস এম মনিরুজ্জামান, ফরিদপুর প্রতিনিধি॥ ১৯৭১ সালের সেই উত্তাল মার্চে বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে অসহযোগ আন্দোলন এবং ৭ই মার্চে ঐতিহাসিক ভাষণের পর ফরিদপুরের মাটিতে ১০ মার্চ মানচিত্রখচিত স্বাধীন বাংলার পতাকা ওড়ানো হয়েছিল। সেইদিন ফরিদপুর শহরের অম্বিকা ময়দানে বিশাল ছাত্রগণজমায়েতে স্বাধীন বাংলার পতাকা ওড়ানো হয়। এর পরই পরই মুক্তিকামী জনতা মৃত্যুভয় উপেক্ষা করে ফরিদপুরের গুরুত্বপূর্ণ সরকারি অফিস ও ভবনে উড়িয়ে দেয় হলুদ মানচিত্র খচিত লাল সবুজের পতাকা।
ফরিদপুরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, মার্কেট ও লেকের নাম থেকে পাকিস্তানীদের নাম মুছে দেওয়ার ঘোষণা হয়েছিল হয় এ সমাবেশ থেকেই। সেই উত্তাল দিনের স্মরণে আজ শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শহরের অম্বিকা ময়দানে জাতীয় সঙ্গীত গেয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন তৎকালীন মুজিব বাহিনীর কমান্ডার, ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য শাহ মো. আবু জাফর। পরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান ও জাতীয় চার নেতা এবং স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন মুক্তিযোদ্ধা-জনতা। মুক্তিযোদ্ধা নাজমুল হাসান নসরুর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন মৃধা, শাহ মো. আবু জাফর, সৈয়দ কবিরম্নল আলম মাও, মোকাররম হোসেন, এমএম শাহরিয়ার রুমী, মুহাম্মদ আবুল ফয়েজ শাহনেওয়াজ সহ তৎকালীন ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতারা।সভায় শাহ মো. আবু জাফর বলেন,সেইদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পাকিস্তানী পতাকা পুড়িয়ে স্বাধীন বাংলা পতাকা উড়িয়েছিলাম। সাংবাদিকদের প্রতি নতুন প্রজন্মের কাছে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এতে তাদের মধ্যে দেশপ্রেম সৃষ্টি হবে। তারা দেশকে ভালবাসতে শিখবে।